<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ০২:২৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ বার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-১১-২০২৫
পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ বার্তা


বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে।

সোমবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ ব্যাংক সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘যদি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সরকারের কাছে আবেদন করেন, তাহলে সরকার তার সক্ষমতা অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।’

শেয়ারবাজারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোতে বিনিয়োগ করা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

তিনি জানান, প্রস্তাবিত একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে একটি জটিল, বহুস্তর বিশিষ্ট নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। পরিকল্পনার আওতায় পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে একত্রিত করে একটি ইসলামী ব্যাংকে রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘গত মার্চ মাসে পাঁচটি ব্যাংককে একটি ইসলামী ব্যাংকে একীভূত করার প্রাথমিক প্রস্তাবিত পরিকল্পনা সম্পর্কে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আগ্রহপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে।’

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে কেবল নির্ধারিত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর।

তিনি আরও বলেন, আবেদনকারী হিসেবে সরকারকে প্রথমে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্ম নিবন্ধকের (আরজেএসসি) কাছে কোম্পানি গঠনের জন্য আবেদন করতে হবে। এই আবেদনে বোর্ড গঠন ও শেয়ারহোল্ডিং কাঠামোর বিস্তারিত থাকতে হবে।

মুখপাত্র বলেন, আরজেএসসি থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করবে। নতুন প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধান অনুযায়ী, ব্যাংক কোম্পানি হিসেবে রূপান্তর বা স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় আবেদন গ্রহণ করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরই নতুন ব্যাংকটি প্রধান কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।



শেয়ার করুন