<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ১১:০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-১১-২০২৫
সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল


প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা সংশোধন করে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন বেআইনি, অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের‌ জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ আগস্ট ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’র গেজেট জারি করা হয়। এতে ‘সহকারী শিক্ষক (সংগীত)’ ও ‘সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষ)’ নামে দুটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়। এ নিয়ে ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন আপত্তি তোলে। তারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্ম শিক্ষকের পদ সৃষ্টির দাবিতে আন্দোলনে নামেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ নভেম্বর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ সংশোধন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাতে ‘সহকারী শিক্ষক (সংগীত)’ ও ‘সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষ)’ নামে নতুন সৃষ্ট পদ দুটি রাখা হয়নি। ফলে এ দুটি পদ বাতিল বলে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

বিধিমালা সংশোধন করে জারিকৃত এ প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। রিটে ‌শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে‌ বিবাদী করা হয়।



শেয়ার করুন