<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ১০:৫০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে নিমিষেই শেষ হয়ে গেল দুইটি বসতঘর
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-১১-২০২৫
শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে নিমিষেই শেষ হয়ে গেল দুইটি বসতঘর


শরীয়তপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের নতুন বাজারে সংলগ্ন চরসাতমাটিয়া গ্রাম এলাকার আফজাল সরদারের বসত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে গোসাইরহাট ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ারসার্ভিস কর্মী মিল্টন মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করেই আফজালের বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশে থাকা আরও একটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। 

এলাকাবাসীর ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরগুলো রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুনে আফজালের ঘরের টিভি, ফ্রিজ, খাট, আলমারি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নগদ টাকাসহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত আফজালের কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার আর কিছুই রইল না। আগুনের গ্রাসে আমার সব স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া ঘর থেকে কিছুই বের করতে পারিনি। সব মিলিয়ে আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বর্তমানে পরিবারটি সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফারুক আহমেদের বরাতে ফায়ারকর্মী মিল্টন মন্ডল জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হই। কিছু গহনা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাড়ির আসবাবপত্র কোনো কিছুই উদ্ধার করা হয়নি। সব কিছু পুড়ে গেছে। শর্ট সার্কিটের কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।



শেয়ার করুন