<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ০৩:৪৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


দুদক মামলায় আক্কেলপুরে তিন বিঘার বেশি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে.
রিফাত হোসেন মেশকাতঃ জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০-১১-২০২৫
দুদক মামলায় আক্কেলপুরে তিন বিঘার বেশি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে.


দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামে ৩ বিঘা ২৫ শতক আবাদি জমির দখল নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী রিসিভার হিসেবে জমির দখল বুঝে নেন।


দুদকের সমন্বিত নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের তদন্তে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। ২০২৩ সালে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক নওশাদ আলী এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলা অনুযায়ী, ফজলুর রহমান চাকরিতে কর্মরত থাকাকালে ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৬ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৮০ লাখ ১৫ হাজার ২৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অর্জন করেন। এসব অভিযোগে আদালত জয়পুরহাট শহরের সরদারপাড়ার ৬ শতাংশ বাড়ি ও আক্কেলপুরের কানুপুর এলাকার আবাদি জমি ক্রোকের নির্দেশ দেন। সম্পদগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।


আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার সকালে কানুপুরের জমি দখল বুঝে নিতে উপস্থিত ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মেহেবুবা খাতুন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জমিগুলো রিসিভার হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটির চার্জশিট প্রস্তুত করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।


সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী বলেন, ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত স্থাবর সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝে নিয়ে লাল নিশান পুঁতে দেওয়া হয়েছে।


অভিযুক্ত ফজলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার সব সম্পদ বৈধ আয় থেকেই অর্জিত। আয়কর রিটার্নে ভুলক্রমে কিছু জমি উল্লেখ না হওয়ায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জমিজমা নিয়ে বড় ভাই শফিউল আলমের সঙ্গে বিরোধের সুযোগে তার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ করা হয়েছে।


অন্যদিকে বড় ভাই শফিউল আলম এ অভিযোগ নাকচ করে বলেন, জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে—সেটা সত্য। তবে আমরা কেউ দুদকে অভিযোগ করিনি। তদন্তে ছোট ভাইয়ের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ার বিষয়টি পরে জেনেছি।



শেয়ার করুন