<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


আক্কেলপুরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শিকলে বেঁধে আটকে রাখার অভিযোগ
রিফাত হোসেন মেশকাত জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-১১-২০২৫
আক্কেলপুরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শিকলে বেঁধে আটকে রাখার অভিযোগ


জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ১৬ বছর বয়সী এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শিকল (লোহার বেরি) পরিয়ে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে। প্রথম বিয়ে করে এই দিনি সংসার ভাঙে চলে আসে সে। দ্বিতীয়বার বিয়ে হলেও স্বামীকে পছন্দ না হওযায় সংসার না করার জন্য তিন দিন পর শ্বশুড় বাড়ি থেকে চলে আসে মায়ের বাড়িতে। এ কারণে পরিবারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল ও মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পরছিল মেয়েটি—এমন দাবি করে মা তাঁর পায়ে শিকল (লোহার বেরি) পরিয়ে রাখেন। গতকাল সোমবার রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁকে মুক্ত করে তাঁর মামার জিম্মায় দিয়েছে।

পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তরুণীর ছোট খালা আক্কেলপুর শহরের বাসায় তাঁকে কিছুদিন ধরে রেখে দিতেন। তরুণীর মায়ের অভিযোগ—খালার বাসায় রেখে তাঁর মেয়েকে অনৈতিক কাজে জড়াতে বাধ্য পড়ছে।  এ অভিযোগ মানেননি ওই খালা।


পরিবারের লোকজন বলছেন, শিক্ষার্থী শারীরিক গঠন ও সৌন্দর্যের কারণে গ্রামের অনেক তরুণ তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক করতে চাইতেন। কয়েকবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়। এসবের মধ্যেই মা মেয়েকে “বাঁচাতে” শিকল (লোহার বেরি করে দুপায়ে) পরিয়ে ঘরে আটকে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।


ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমাকে এক দেড় বছর আগে পরিবার থেকে জোর করে বিয়ে দিয়েছিল। সেখানে সংসার করি নাই। এর পর এক মাস আগে আবার আমায় বাড়ি থেকে বিয়ে দেয়। বিয়ের তিন দিন পর সংসার করব বলে মায়ের বাড়িতে চলে আসি। স্বামীর কথা শুনতেছি না  ও শ্বশুড় বাড়িতে যাচ্ছি না জন্য আমার স্বামীর কথা শুনে মা আমার পায়ে লোহার বেরি দিয়েছে। কয়েক মাস থেকে আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতেও পারছিনা।


আক্কেলপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে উপস্থিত মেম্বার ও গ্রামবাসীর সামনে  মুক্ত করে তার মামার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।



শেয়ার করুন