<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ০২:৫০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


অ-১৯ নারী দলে কোনো অনিয়ম হয়নি
স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-১১-২০২৫
অ-১৯ নারী দলে কোনো অনিয়ম হয়নি


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। শনিবার এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, তাদের পর্যালোচনায় সব নথি দেখা হয়েছে এবং কোথাও কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে তারা বলেছে, আরও কিছু বিষয় তদন্তে আছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবেক জাতীয় অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা অভিযোগও।

বিসিবি জানায়, সেপ্টেম্বরের ১৭ তারিখে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পাঠানো চিঠি আসে এমন সময়, যখন বোর্ড নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিল। ওই সময় বিভিন্ন বিভাগ শুধু প্রয়োজনীয় কাজই করতে পারছিল। নির্বাচনের কাজ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো সব নথি পরীক্ষা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পর্যালোচনার ভিত্তিতে বিসিবি নিশ্চিত করছে যে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।’

বিসিবি আরও জানায়, ‘২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রিয়া আখতার শিখা যে চিঠিটি এনএসসি–তে জমা দিয়েছেন, সেখানে যে অতিরিক্ত বিষয়গুলোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলো পাঁচ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটির সামনে উপস্থাপনের কাজ চলছে। এই কমিটি গঠিত হয়েছে সাবেক বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক জাহানারা আলম সামাজিক মাধ্যমে যে অভিযোগ তুলেছেন তা খতিয়ে দেখার জন্য।’

৮ নভেম্বর বিসিবি প্রথমে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিতে ছিলেন বিচারপতি (অব.) তারিকুল হাকিম, ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং রুবাবা দৌলা। পরে ১২ নভেম্বর ব্যারিস্টার মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান খান এবং অধ্যাপক ড. নাইমা হককে যুক্ত করা হয়। এতে কমিটির দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হয়, যাতে নারী ক্রিকেটে ওঠা সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা যায়।

বিসিবি বলেছে, ‘বিসিবি স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। কমিটি তদন্ত শেষে যে সুপারিশ দেবে, বিসিবি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’



শেয়ার করুন