<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ১০:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


বাংলাদেশী শাড়ির জাদুতে মুগ্ধ তুরস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-১০-২০২৫
বাংলাদেশী শাড়ির জাদুতে মুগ্ধ তুরস্ক


তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক মনোমুগ্ধকর শাড়ি প্রদর্শনী। সম্প্রতি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ির রঙ, বুননশৈলী ও নকশার অনন্য সমাহার, যা মুগ্ধ করে তুরস্কে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তা ও স্থানীয় অতিথিদের।


প্রদর্শনীতে স্থান পায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। এর মধ্যে ছিল সূক্ষ্ম হ্যান্ডলুম বুননে তৈরি জ্যামিতিক ও ফুলেল নকশার UNESCO স্বীকৃত জামদানি, ৭৫ বছরের পুরোনো এক ঐতিহাসিক সংগ্রহসহ। পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় উজ্জ্বল রঙের রাজশাহী সিল্ক, হালকা টাঙ্গাইল তাঁত, ঐতিহাসিক মসলিন, উৎসবের কাতান ও ঢাকাই বেনারসি, সিলেটের মনিপুরী, নকশিকাঁথা ও গরদ শাড়ি। প্রতিটি শাড়ির সঙ্গে ছিল বুননশৈলী ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরা ভিডিওচিত্র, যা অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যের গভীরে নিয়ে যায়।


বাংলাদেশি শাড়ির রঙ ও নকশায় মুগ্ধ হয়ে অনেক অতিথি নিজেরাই শাড়ি পরে ক্ষুদ্র এক ফ্যাশন প্রদর্শনীতে অংশ নেন। কেউ কেউ ‘বৌয়ের সাজে’ সেজে আনন্দে ছবি তোলেন এবং স্মারক হিসেবে শাড়ি সংগ্রহের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য, কারুশিল্প ও সংস্কৃতি বিশ্বে পরিচিত করার এ আয়োজন দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও গভীর করবে। প্রদর্শনী শেষে অতিথিদের পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার। অতিথিরা খাবারের স্বাদ ও বাংলাদেশের অতিথিপরায়ণতায় মুগ্ধ হন।


বাংলাদেশ দূতাবাসের এ আয়োজন শুধু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী নয়, বরং বাংলাদেশের হ্যান্ডলুম শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার এক কার্যকর প্রচেষ্টা। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বিদেশি বাজারে বাংলাদেশের শাড়ি ও তাঁতপণ্যের চাহিদা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় তাঁতিদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়নেও সহায়ক হবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ডলুম শিল্পের বিকাশ ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



শেয়ার করুন