<p><br></p>
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ০২:০০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


মৃত্তিকা মহাপরিচালক ও পিএসও ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩১-০৮-২০২৫
মৃত্তিকা মহাপরিচালক ও পিএসও ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ


মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (SRDI) মহাপরিচালক ড. সামিয়া সুলতানা ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (PSO) মোঃ ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর তৎকালীন মহাপরিচালক জালাল উদ্দিনকে সন্ত্রাসী কায়দায় হুমকি দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে বহিরাগতদের সহযোগিতায় একটি মব সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ১৩ নভেম্বর ২০২৪ সালের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ড. সামিয়া সুলতানা মহাপরিচালকের দায়িত্ব নেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক কৃষি সচিব ও বর্তমানে পলাতক ওয়াহিদা আক্তারের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হওয়ার সুবাদে ড. সামিয়া সুলতানা মৃত্তিকায় একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন। তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, CCBS প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, পরিচালক (ফিল্ড সার্ভিসেস উইং), মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট BCS সমিতির সেক্রেটারি, AFACI অর্থায়িত জাতীয় মাটির মানচিত্র উন্নয়ন প্রকল্পের সহ-গবেষণা পরিচালক, Soil Science Society of Bangladesh (SSSB)-এর প্রেসিডেন্ট (নির্বাচন ছাড়াই সিলেকশনের মাধ্যমে) পদগুলো বাগয়ে নেন।


আইন অনুযায়ী প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের এখতিয়ার কেবল কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের। তবে অভিযোগ রয়েছে, ড. সামিয়া সুলতানা তার আস্থাভাজন ফারুক হোসেনকে পাবনা অঞ্চলের আয়-ব্যয়ের দায়িত্ব (DDO) দেন। এরপর থেকেই তিনি ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সৎ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের বদলি শুরু করেন। এ প্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় ২৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়।


এছাড়া, BARC চেয়ারম্যান ড. শেখ মোঃ বখতিয়ারের প্রভাব খাটিয়ে SSSB-এর জেনারেল সেক্রেটারি পদও তিনি দখল করেন বলে অভিযোগ।


ড. সামিয়া সুলতানা ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে CCBS প্রকল্পের পরিচালক পদে রয়েছেন, যা মহাপরিচালকের পদে থেকে রাখা আইনগতভাবে অনৈতিক। প্রকল্পটির মেয়াদ জুন ২০২৪-এ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো (আগস্ট ২০২৫) কাজ শেষ হয়নি।


অন্যদিকে, PSO ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন না করেও অফিসিয়াল মিটিং, ব্যানার ও প্রতিবেদনগুলোতে নিজের নামের আগে "ডক্টর" ব্যবহার করেন। ২০২৩-২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে তিনি স্বহস্তে "ড. মোঃ ফারুক হোসেন" লিখেছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে তা স্বীকার করেন।


এছাড়া তার বিরুদ্ধে নিজ এলাকা নওগাঁয় সরকারি ৮ বিঘা জমি দখল ও রাজশাহীতে কৃষিবিদ টাওয়ার নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে।


এসব অনিয়ম ও দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে ২৭ আগস্ট ২০২৫ মৃত্তিকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজধানীতে দেয়ালে পোস্টার লাগিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এসব বিষয়ে জানতেড. সামিয়া সুলতানার সাথে  যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে ফারুক হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা বেশিরভাগ অভিযোগকে "মিথ্যা" বলে দাবি করেন।



শেয়ার করুন