<p><br></p>
১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৩:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান শামসুর তত্বাবধানে জাফলংয়ে চোরাচালান কারবার
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৩-১২-২০২৪
এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান শামসুর তত্বাবধানে জাফলংয়ে চোরাচালান কারবার ছবি : সংগৃহীত


সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তের জাফলং পয়েন্ট দিয়ে চলছে চোরাচালানের মহাউৎসব। সিলেটের পুলিশ সুপারসহ উর্ধবতন কর্তাব্যক্তিদের 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চালানো হচ্ছে চোরাকারবারিদের রমরমা ব্যবসা।

 

গোয়াইনঘাট থানার জাফলং বিট অফিসার এসআই জহুর লাল ও তার লাইনম্যান জাফলংয়ের শামসু,এই দুইজন মিলে সীমান্তে চোরাচালানের দুয়ার খোলে দিয়েছেন।

 

ছাত্রজনতার  জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর ভারতের সাথে সব ধরণের জনযোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না সিলেটের জাফলং সীমান্তের চোরচালান রুট। চোরাকারবািরা পুলিশের লাইনম্যান শামসুর মাধ্যমে বখরা দিয়ে চোরাচালান রুটটি ওপেন করে রেখেছে।

 

প্রত্যহ হাজার বস্তা রসুন চালান হচ্ছে ভারতে। বিনিময়ে চোরাই পথে আমদামী হচ্ছে 'মিটাবালু' নামে পরিচিত লাখো বস্তা ভারতীয় চিনি, মদ, ফেনসিডিল, কসমেটিক্স, মসলাজাত দ্রব্যাদি ও ভারতীয় পাতার বিড়ি। রসুন ছাড়াও এসব পণ্যের বিনিময়ে পাচার করা হয় বৈদেশিক মূদ্রা পাউন্ড ডলার ও রুপি। শামসুর তত্বাবধানে জাফলং ও তামাবিল সীমান্তে রেস্টুরেন্ট ও দোকান ব্যবসার আড়ালে গড়ে ওঠেছে কয়েকটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ। এসব দোকান থেকেও শামসু নিয়মিত বখরা আদায় করে থাকে।

 

 বস্তাজাত প্রতিটি চোরাই পণ্যে বস্তা প্রতি ১ হাজার এবং কোনো দামিপণ্য যেমন আগ্নেয়াস্ত্র কসমেটিকস মোটর বাইকের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি দামি চোরাই পণ্যে শামসু আদায় করে থাকে বড় অঙ্কের টাকা।

 

সিলেটের এসপি, ডিবি পুলিশ ও থানার ওসির নামে এসব বখরা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ প্রকাশ।

 

দিনভর বখরা আদায় করে রাত ১০-১১ টায় জাফলং মামার দোকান বাজারস্থ এসআই জহুর লাল এর অফিসে টাকা ভাগ-বণ্ঠন করা হয়ে থাকে। এ ভাগ বাটোয়ারায় গোয়াইনঘাট এলাকার সাংবাদিক নামধারী একাধিক ব্যক্তিও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।

 

অভিযোগের বিষয়ে শাসুর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর হলে তিনি সাংবাদিকের সেলফোন রিসিভ করেননি।



শেয়ার করুন