<p><br></p>
১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০১:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


মহান নেতা মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-১২-২০২৪
মহান নেতা মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ ছবি : সংগৃহীত


নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। বিশ শতকে ব্রিটিশ ভারতে গণআন্দোলনের নায়ক, যার হাত ধরে ১৯৪৭-এ পাকিস্তান সৃষ্টি। ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষটি তিনি। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে।

 

 

বৃস্পতিবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ভাসানী) উদ্যোগে বেলা ১১টায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা। এ ছাড়া সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি নিয়েছে ভাসানী অনুসারী পরিষদ। আর সকাল ১০টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে আলোচনা সভা করবে বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টি।

 

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল শোষণমুক্ত সমাজ। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগদানের পর খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়ে ১০ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান তিনি। ১৯২৯ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসানচরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এরপর তাঁর নামের শেষে ভাসানী যুক্ত হয়।

 

 

পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী। এরপর ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন।

 

আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী। ১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগমারী, ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলা এবং ১৯৩৩ সালে গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন তিনি। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি। ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

 

মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

 

 



শেয়ার করুন